অন্ধকার ও সবুজের প্রতি ভালোবাসা

0
30

অন্ধকার রুম, বসে আছি। ইচ্ছা করলেই লাইট জ্বালিয়ে আলোকিত করতে পারি রুমটাকে। কিন্তু ইচ্ছা করছে না। আলো থেকে আমার মৃদু অন্ধকার ভালো লাগে। দিনের বেলাতেও আমার রুমে পর্দা দিয়ে রাখি, যেন বাহিরে আলো না আসে। অন্ধকার বা মৃদু আলো আমার পছন্দ। কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের কোন উত্তর আমার জানা নেই। কয়েক মাস আগে রুম লাইটিং করেছি। কম্পিউটার টেবিলের পিছনে কিছু এলইডি লাইট লাগিয়েছি। এতে রিমোটের সাহায‍্যে আলোর রং পরিবর্তন করা যায়। বেশিভাগ সময় আমি সবুজ আলো দিয়ে রাখি। সবুজ রংটা চোখে তৃপ্তি এনে দেয়।

ইদানিং গাছের প্রতি মমতা বাড়ছে আমার। রুমে কিছু ছোট গাছের টপ রেখেছি। যদি বাসার বারান্দা আরো বড় হতো তাহলে বেশ কিছু গাছে টপ কিনে আনতাম। কিন্তু স্থানের অভাবে তা হচ্ছে না। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার প্রথম কাজ থাকে গাছগুলোকে পানি দেয়া। রুমের ভিতরে ছোট সবুজ গাছগুলো দিকে তাকালেই একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়।

দুই মাস আগে ঠিক করেছিলাম প্রতি দিন ৩০ মিনিট করে সময় দিয়ে ব্লগে লিখব। প্রতিদিন মিনিমাম একটা ব্লগপোষ্ট করব। কিন্তু কেন যেন সময় করে উঠতে পারছিলাম না। তবে গেল সপ্তাহে একটি গল্প লিখছিলাম। এটি আসলে গল্প নয়, কাকতালীয় হলেও সত‍্যি ঘটনা। গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রুমের সবুজ আলো জ্বালিয়ে ম‍্যাকবুক নিয়ে বসে পড়লাম ব্লগটা লেখার জন‍্য। বসেই ভাবতে শুরু করলাম আসলে কি লেখা যায়। ব্লগ তো আমার ভার্চুয়াল ডায়েরীর মতই। তাই যা মনে আসলো তাই লিখছি। হয়ত এই লেখা পড়তে কেউ পছন্দ করবে না।

প্রতিদিন প্রযুক্তি নিয়ে লিখতে লিখতে মনে হয় সাহিত‍্যের অন‍্য বিষয়গুলো লিখা খুলে যাচ্ছে। আর বর্তমান সময়ে ফেইসবুক তো সময় নষ্ট করার মহাযন্ত্রে রুপ নিয়েছে। এই ফেইসবুকের ক‍ল‍্যানের যত বেশি সুবিধা হচ্ছে সেই সাথে পাল্লা দিয়ে কিছু অসুবিধাও রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে ব্লগে আমি আবার ফিরে আসছি। নিয়মিত হব আসলেই নিয়মিত হবে। 🙂 🙂 হ‍্যাপি ব্লগিং হ‍্যাপি রিডিং