অদ্ভূত সময়গুলো ভাবনাগুলো

0
11

কাজের চাপে আর আগের মত ব্লগিং করা হয় না। তবে লেখালেখি ছাড়িনি। প্রতিদিন প্রায় লেখা  হয় , তা প্রযুক্তি বিষয়ক। লিখতে ভালো লাগে লিখি। অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করে সারা জীবন কি এভাবে লিখে লিখে কাটাবি? আমি মুচকি হাঁসি। এই হাঁসি অর্থ হ্যাঁ আবার না। মানুষ বিভ্রান্ত হয়, দেখতে মজা লাগে।

নতুন বছর শুরু হয়েছে আজ পঞ্চম দিন। নতুন বছরে অনেকগুলো রেজুলেশন ঠিক করলাম। তার কিছুই করা হচ্ছে না। সব কিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ঘুছিয়ে উঠতে পারছি না। সুরটা কোথায় যেনে কেটে গেছে। ইদানিং একা একা থাকতেই যেন বড্ডা বেশি ভালো লাগে। অনুভূতিগুলো হঠাৎ করে একটা শূন্য হয়ে যাবে ভাবিনি। তবুও বেঁচে আছি এতে আল্লাহ কাছে শুকরিয়া। প্রতিদিন আমি সুস্থ আছি এটা দেখে আম্মা খুশি তাতেই চলবে আমার। তবে সুস্থতা কয়দিন আছে তা জানা নেই। উপরওয়ালাই সব কিছু জানেন।

গত বছর এবং আগের বছর আমার কেটেছে হাসপাতাল দৌড়াদৌড়ি করে। ক্যান্সার আক্রাত বাবা বেঁচে আছে এখনো তাকে আল্লাহ কাছে শুকরিয়া। আল্লাহার কাছে চাওয়া বাবা ইচ্ছাগুলো যেন এই আমি পূরণ করতে পারি। হ্যা করতে হবে যে আমাকেই। বাবার অভাবটুকু তারাই বুঝে যাদের বাবা নেই। বটবৃক্ষটা এখনো আছে আমার পাশে এটাই কম কি?

প্রচন্ড খারাপ লাগলে যখন চোখের পানি ঝরে তখন ইচ্ছা করে খুব প্রিয় মানুষটার কাঁধে মাথা রেখে কিছুক্ষন কাঁদতে। গভীরে রাতে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেলে সেই মানুষটার কন্ঠ শুনতে ইচছা করে। কিন্তু একটা সময় সেই মানুষগুলো জগতের নিয়ম অনুযায়ী হারিয়ে যায় ধীরে ধীরে। তখন একাকী কিভাবে যুদ্ধ করতে হয় তা শিখতে হয়। জানতে হয় দিন থেকে তুমি পৃথীবিতে ভয়ংকর একা। তোমার কষ্টে বা খারাপ লাগা কথাগুলো কাউও কাছে হাসির কারণ হবে। কি দরকার? নিজের অনুভূতিগুলো কিভাবে নিজের ভিতরে করব দিতে হয় তা শিখে ফেলাটাই ভালো। হয়ত পৃথীবির  মানুষগুলো তাই করছে। তবুও জীবন চলছে জীবনের মত করে।
মাঝে মাঝে অন্ধকরার রাতগুলোতে ছাদে বসে থাকতে ভালো লাগে। মনে হয় আকামের সব তারাগুলো নাম জানি। কিন্তু কেমন হয় জানা নেই। আসলেই জানা নেই …………